যাত্রী না নামিয়ে ফেরিতে বাস ওঠানো চালকদের নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত - Gono television | বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।
যাত্রী না নামিয়ে ফেরিতে বাস ওঠানো চালকদের নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

যাত্রী না নামিয়ে ফেরিতে বাস ওঠানো চালকদের নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

ফেরিঘাটে যাত্রী না নামিয়ে ফেরিতে বাস ওঠালে চালকের লাইসেন্স নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (৪ মে) সচিবালয়ে ঈদুল আজহার ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা যা বলে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা কিছু অনুশাসন পেয়েছি। আজ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সব ফেরিঘাটে সাইনবোর্ড দেওয়া হবে, মাইকিং করা হবে যেন যাত্রীদের নামিয়ে ওঠানো-নামানো, এই দুটি এনশিওর করা হয়।

 

তিনি বলেন, যদি কোনো বাসচালকের গাফিলতি থাকে তাহলে তার লাইসেন্স নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেটা বাসমালিক এবং শ্রমিক ফেডারেশনের সঙ্গে মিটিং করবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। তিনি সেখানে তাদের অনুরোধ জানাবেন এটা যেন বাস্তবায়ন করা যায়।

 

সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত তুলে ধরে তিনি বলেন, সড়কের পাশে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন যেসব ট্রমা সেন্টার আছে, সেগুলো কার্যকর করতে হবে। সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে সেখানে ইকুইপমেন্টসহ ডাক্তার, নার্স যা জরুরি তা থাকবে। নিকটবর্তী উপজেলা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতাল বা অন্যান্য হাসপাতাল যেগুলো আছে সেগুলো আমরা সাতদিন আগ থেকে ওয়েল প্রিপেয়ার্ড করব, যেন কোনো রকমের যদি অ্যাক্সিডেন্ট হয় সেটা অ্যাড্রেস করা যায় ইমিডিয়েটলি।

 

তিনি বলেন, আমরা যেন ব্যবস্থা নিতে পারি সেজন্য সাতদিন আগ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন আমাদের পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স একটা মনিটরিং সেল করবে। সেই মনিটরিং সেলের মাধ্যমে আমরা মহাসড়কে সার্কিট ক্যামেরা যেখানে আছে সেখান থেকে দৃশ্য পাব।

 

তিনি আরও বলেন, আমরা ইনফরমেশন যেন জেলা পর্যায় থেকে মহাসড়কের আশপাশে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে সবসময় মনিটরিং করতে পারি। সেই সঙ্গে ল’ অ্যান্ড অর্ডার যেন আমরা কন্ট্রোল রাখতে পারি।

 

উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ মে দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হতে পারে।


দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজের ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের ছুটি শেষ হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন)। তবে ৫ ও ৬ জুন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় আগামী রোববার (৭ জুন) স্কুল-কলেজে ক্লাস শুরু হবে।

 

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত বাৎসরিক ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

ছুটির তালিকা অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শুরু হয়েছে গত ২৩ মে থেকে। ওইদিন অফিস আদেশের মাধ্যমে ছুটি ঘোষণা করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ফলে ২৩ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ছুটি পাচ্ছে বিদ্যালয়গুলো। ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক বন্ধের পর আগামী রোববার থেকে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হবে।

 

সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কলেজে ছুটি শুরু হয়েছিল ২৪ মে। এ ছুটি শেষ হচ্ছে ৪ জুন। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ৭ জুন এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরু হবে।

 

তবে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা আরও বেশি ছুটি পাচ্ছে। ইবতেদায়ি, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদরাসাগুলোয় ২২ মে ছুটি শুরু হয়েছিল, যা চলবে ১১ জুন পর্যন্ত।

 

এরপর ১২ ও ১৩ জুন (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে আগামী ১৪ জুন মাদরাসায় ক্লাস শুরু হবে। মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ঈদ ও গরমে ২৩

ঈদ-গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষে স্কুল-কলেজে ক্লাস শুরু রোববার

ঈদে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে সিএনজি স্টেশন

সাতক্ষীরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

মো: তুহিন হোসেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:

“ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১০ মে) বিকালে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিস সাতক্ষীরার আয়োজনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ৮ টি ইভেন্টের বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় সাতক্ষীরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জেলা ক্রীড়া অফিসের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত অতিথি এবং গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিসের উচ্চমান সহকারী মোঃ মনিরুজ্জামান।

সাতক্ষীরায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

প্রতিবেদনঃ মোঃ ওমর ফারুক

আজ বিশ্ব মা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হচ্ছে। প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

মা শব্দটি ছোট হলেও এর গভীরতা অনেক বড়। সন্তানের জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না—সবকিছুতেই একজন মা নিঃস্বার্থভাবে পাশে থাকেন। তাই মায়ের অবদান কখনোই পরিমাপ করা সম্ভব নয়।

দিবসটি উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মায়ের সঙ্গে ছবি ও স্মৃতিচারণ করে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু একটি দিন নয়, প্রতিদিনই মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করা উচিত। কারণ একজন মাই পরিবারের সবচেয়ে বড় আশ্রয় ও শক্তির জায়গা।

বিশ্ব মা দিবসে সকল মায়ের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

মা মানেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, মমতা আর পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান সহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা।

 

মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার,

ক্রাইম রিপোর্টার গাজীপুর।

 

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তানসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (৮ মে) রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে ভয়াবহ এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

 

স্থানীয়রা জানান, রাউতকোনা এলাকার মনির হোসেন প্রবাসে থাকেন। বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তানরা থাকে। শুক্রবার রাতেও সবাইকে স্বাভাবিকই দেখা গেছে। তবে শনিবার ভোরে ওই বাড়িতে দেখা যায় পাঁচজনের গলা কাটা লাশ পড়ে রয়েছে। কারা কেন তাদের হত্যা করেছে, বিষয়টি এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।

 

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন প্রবাসী মনির হোসেনের স্ত্রী, তার তিন মেয়েসন্তান এবং শ্যালক। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লুটপাটের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটাতে পারে

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা-পয়সাও নিয়ে গেছে হামলাকারীরা। হত্যার পর ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

 

 

গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার, (এসপি) মোঃশরিফ উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে ।

গাজীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান সহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা অভিযোগ করে বলেছেন, আমি যখনই আপনাদের জন্য ভালো-ভালো কাজের আঞ্জাম দিতে যাচ্ছি, তখনই বেশ কিছু কুচক্রী মহল পেছন দিক থেকে টেনে হিঁচড়ে ধরার চেষ্টা করছে। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

 

 

সোমবার (৪ মে) রাতে মুফতি আমির হামজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই অভিযোগ করেন। তার পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

 

 

‘প্রিয় কুষ্টিয়াবাসী, আসসালামু আলাইকুম। সব প্রশংসা মহান আল্লাহ তা’আলার দরবারে। যার রহমত এবং আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি আজকে সংসদ বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, আমি যখনই আপনাদের জন্য ভালো ভালো কাজের আঞ্জাম দিতে যাচ্ছি, তখনই বেশ কিছু কুচক্রী মহল পেছন দিক থেকে টেনে হিঁচড়ে ধরার চেষ্টা করছে। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। আসলে এই মুহূর্তে তাদের হাতে কোনো কল্যাণকর রাজনীতি নেই। তারা মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে ক্যাপাবল নয়, সেজন্য আমার পথ আটকানোর চেষ্টা এখন তাদের একমাত্র রাজনীতি হয়ে উঠেছে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমার কুষ্টিয়াবাসী।

 

 

চাঁদাবাজির বিষয়ে আমির হামজা লেখেন, আমি এমপি হওয়ায় অনেকে তাদের চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, মাদকের সাম্রাজ্য আগের মতো নির্বিঘ্নে চালাতে পারছে না। বরং এসব অপকর্মের সাম্রাজ্য ধ্বংসের আশঙ্কা করছেন তারা এখন। এজন্য তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপ ধারণ করে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে।

 

 

তিনি সতর্ক করে লেখেন, আমি তাদের উদ্দেশ্যে স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কুষ্টিয়াবাসী শান্তিতে বসবাসের জন্য যে আমানত আমার কাঁধে তুলে দিয়েছে। সেই আমানত রক্ষার্থে আমি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত, তবুও পিছপা হবো না, ইনশাপ্রিয় কুষ্টিয়া ৩ আসনের মা, বাবা, ভাই, বোনেরা আমার বিশ্বাস আগেও আপনারা আমার পাশে ছিলেন, এখনও আমার পাশে আছেন, ভবিষ্যতেও আমার পাশে থাকবেন, ইনশাল্লাহ। আপনাদের নিয়ে সম্মিলিত লড়াইয়ে আমরা বারবার অপকর্মকারীদের পরাজিত করবো ইনশাল্লাহ।

যে আমানত কাঁধে তুলে দিয়েছেন, সেটা রক্ষার্থে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতের মিশনগুলো হবে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর।

 

বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টার দিকে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

সরকার প্রধান বলেন, বর্তমান বিশ্ব এক জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ এবং প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তনের ফলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের চ্যালেঞ্জগুলো এখন অনেক বেশি বহুমুখী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

 

তিনি আরও বলেন, প্রথাগত যুদ্ধের পাশাপাশি এখন সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, মিডিয়া অপপ্রচার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট, নিরাপত্তা সংকট বিশ্বশান্তির নতুন অন্তরায়। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ মিশনগুলো হতে হবে আরও আধুনিক, দূরদর্শী এবং প্রযুক্তিনির্ভর। এমন পরিস্থিতিতে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন কিংবা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দায়িত্ব পালনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর মর্ডানাইজেশনের লক্ষ্যে সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

 

প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মত্যাগকারী বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

 

তারেক রহমান বলেন, আমাদের শান্তিরক্ষিরা বিশ্বমঞ্চে যে গৌরব ও কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, এটা খুব সহজ ছিলোনা। তাদেরকে শত প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা এবং কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে এই মহান ও মানবিক দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। পরিবার-পরিজন থেকে বহু দূরে থেকে একটি প্রতিকূল পরিবেশে আপনারা নিষ্ঠা, সাহস এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় দায়িত্ব পালন করছেন। সরকার প্রধান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে, আপনাদের নিষ্ঠা, কর্তব্যবোধ এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের কারণেই বিশ্বমঞ্চে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সুনাম ও অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে সক্ষম হচ্ছে। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় এটি আপনাদের সাহস এবং গভীর দায়িত্ববোধের প্রতিফলন বলেই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। বিশ্ব শান্তি রক্ষায় আমাদের এই গৌরবের ইতিহাস একদিনে রচিত হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী একটি আস্থা ও নির্ভরতার নাম।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দেশের সশস্ত্রবাহিনী দেশের স্বাধীনতা সম্মান এবং সাহসের প্রতীক। বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। সেনাবাহিনীর একজন মেজর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, আমি বিশ্বাস করি, এই গৌরব এবং অহংকার অবশ্যই আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর জন্য অনন্ত প্রেরণার উৎস। সুতরাং, এই গৌরব যেন কোনোভাবেই ম্লান না হয় সেটি রক্ষা করা সশস্ত্রবাহিনীর কর্তব্য।

 

বাংলাদেশ সব সময় স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং পারস্পরিক রাষ্ট্রীয় মর্যাদার নীতিতে বিশ্বাস করে বলেন তারেক রহমান।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সংবিধানে বিশ্বশান্তি, আন্তর্জাতিক সহাবস্থান ও ন্যায়বিচারের প্রতি যে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে, আমরা তা বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জানিয়ে তিনি বলেন, একটি স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সব সময় শান্তি, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা এবং মানবতার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় থাকবে ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশ যে কোনো আগ্রাসন ও সংঘাতের বিরুদ্ধে একটি নিরাপদ ও শান্তিময় পৃথিবী গড়ে তুলতে বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল।

শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ার কার লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে সাময়িকভাবে রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় উদ্ধার কাজে অংশ নিতে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

 

বুধবার (১০ জুন) সকাল ৯টার দিকে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের সময় শহরের ইটাখোলা বাইলেন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার পর লাইনচ্যুত পাওয়ার কার ও চারটি বগি ঘটনাস্থলে রেখে ট্রেনটির বাকি অংশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পাঠানো হলে সেটিও লাইনচ্যুত হয়।

 

এ ঘটনায় পরে রেললাইন মেরামত হলে লাইনচ্যুত পাওয়ার কার উদ্ধারে যোগ দেয় রিলিফ ট্রেনটি।

লাইনচ্যুত ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসকে উদ্ধারে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবে

 

লন্ডন থেকে আজিজুল আম্বিয়া,

 

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় পূর্ব লন্ডনের ঐতিহাসিক আলতাব আলী পার্কে এক আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংঘটিত রামিসা হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সাংবাদিক নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

 

সংগঠনের সভাপতি আশিকুল ইসলাম আশিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লাভলু লস্কর , ড. আজিজুল আম্বিয়া ও জাকির হোসেন সেলিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

 

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দেশে চলমান সহিংসতা, নারী নির্যাতন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

 

বক্তারা বলেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

 

এ সময় বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী আব্দুল আহাদ চৌধুরী, আ.স.ম. মিসবা, মুজিবুল হক মনি, নাজমিন সুলতানা শিখা, মোহন মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, জামাল আহমদ, আংগুর আলী, জাকির হোসেন সেলিম, ফয়সল আহমদ, আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মতব্বির হোসেন চুনু, হুমায়ুন কবির, আব্দুল জলিল চৌধুরী, আব্দুর রব, ছইল মিয়া, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অধ্যক্ষ সাহেদ রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছির, অ্যাডভোকেট বজলুর রশীদ, মুফতি আব্দুল ওদুদ, মুজিবুল হক মুজিব, ইমদাদুন খানম, জেসিকা চৌধুরী, রিপা আক্তার, শাহ লাভলী রহমান, জামিলা খানম, সাগর চৌধুরী মোহন, ময়না মিয়া, মকবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, নুরুল হক, মোহাম্মদ রুনু, সৈয়দ গোলাব মিয়া, মৌলানা হেলাল আহমদ, জিলু খান , আবুল হোসেন, একলিম মিয়া, নাজমুল হোসেন, জুবেল আহমদ বেলাল, শরীফ আলম, মো. গিয়াস উদ্দিন সোহাগ, সেলিম আহমেদ, রুমেল খান, মাসুম বিল্লাহ, আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।

 

 

সমাবেশ শেষে বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনমত গড়ে তোলা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা সকল ধরনের হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

লন্ডনে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন ইউকের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সমাবেশ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফাহাদের বিরুদ্ধে একটি প্রাইভেট কারের চালককে মারধর করে গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে পৌর শহরে সদর রোডে এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে সড়কে যানজটেরও সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী রাজিব হোসেন তার এক বন্ধুকে নিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে কালাইয়া পূবালী ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি চালক মো. শাহিন মিয়া চালাচ্ছিলেন। শাহিনের দাবি যানজট সৃষ্টি হলে গাড়ির পেছন দিক থেকে ফাহাদ তার মোটরসাইকেল দিয়ে কয়েক দফা ধাক্কা দেন। শাহিন ধাক্কা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ফাহাদ মোটরসাইকেল সড়কের পাশে রেখে তাকে মারধর শুরু করেন।

 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সাংবাদিকদের দাবি, তাদের উদ্দেশে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং ভিডিও ধারণ বন্ধ করতে হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ছাত্রদল কর্মী সাজিদের নামও উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভিডিও ধারণ বন্ধে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ রয়েছে।

 

প্রাইভেটকারের চালক অভিযোগ করে বলেন, তার গাড়ি অভিযুক্তের গাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার পর আব্দুল আল ফাহাদ ক্ষুব্ধ হন। পরে তাকে থামিয়ে কথা বলার সময় মারধর করা হয় এবং গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হয়।

 

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুল আল ফাহাদ। নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি স্ত্রীকে নিয়ে যাত্রাপথে ছিলেন। একটি প্রাইভেটকার তার গাড়ির খুব কাছ দিয়ে যাওয়ায় স্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে ওই গাড়ির চালক তার হাত ধরেন বলে তিনি দাবি করেন। এরপর তিনি গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চান। মারধর, সাংবাদিকদের হুমকি এবং গালিগালাজের অভিযোগ তিনি নাকচ করেন।

 

এদিকে ছাত্রদল কর্মী সাজিদ বলেন, ঘটনার সময় উপজেলা ছাত্রদল সভাপতির সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সভাপতির স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন এবং ওই পরিস্থিতিতে যে কেউ উত্তেজিত হয়ে পড়তে পারতেন। তবে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

ড্রাইভারকে মারধর ও গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উপজেলা ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ মোঃ ওমর ফারুক

 

থাকেন সরকারি আশ্রায়ন প্রকল্পে। পেশায় ভ্যানচালক। স্ত্রীসহ এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে তার। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হলেই বদলে যান তিনি। স্থানীয় একটি এনজিও থেকে ৫০ হাজার ঋণ নিয়ে আর্জেনটিনা এ ভক্ত সেজেছেন নিজে। সাজিয়েছেন ভ্যান রিকশা সেই সাথে কিনেছেন ১৬টি আর্জেন্টিনার পতাকা।

 

বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনায় আর্জেন্টিনার এ ভক্তের নাম সুমন গৌড়। থাকেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর সদরের দত্তপাড়া সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পে। এলাকায় তিনি মেসি সুমন নামে সমধিক পরিচিত। তার রয়েছে স্ত্রী এক মেয়ে এক ছেলে।

বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই যেন বদলে যায় তার জীবন।

 

আর্জেন্টিনার নীল-সাদা পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন আর নানা সাজসজ্জায় নিজের বসতিপাড়া সাজিয়ে তুলছেন তিনি। দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন ছোট্ট একটি আর্জেন্টিনা গ্রাম।

 

তবে এই আয়োজনের পেছনের গল্প আরও বিস্ময়কর। আর্জেন্টিনাকে সমর্থন জানাতে স্ত্রী আরতি রাণী ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী পূর্ণিমার নামে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন সুমন। সেই অর্থ ব্যয় করছেন পতাকা, ব্যানার, রং ও বিভিন্ন সাজসজ্জার কাজে।

 

শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য বিরিয়ানি রান্না করে আপ্যায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে তার।

 

নিজস্ব কোনো জমিজমা নেই সুমনের। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বসবাস করেন। জীবিকা নির্বাহ করেন ভ্যান রিকশা চালিয়ে। সংসারে অভাব-অনটন থাকলেও ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা আর আর্জেন্টিনার প্রতি আবেগ তাকে থামাতে পারেনি।

 

সুমন বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। এখন সবাই আমাকে সুমন না, ‘মেসি সুমন’ নামেই চেনে। বিশ্বকাপ এলেই আমি চেষ্টা করি আর্জেন্টিনার জন্য কিছু করতে। এটা আমার ভালোবাসা।

 

সুমনের স্ত্রী আরতি রাণী বলেন, ‘অনেক বছর ধরেই স্বামীর আর্জেন্টিনাপ্রেম দেখে আসছি। সংসারে অভাব আছে, তবুও বিশ্বকাপ এলে তিনি সবকিছু ভুলে যান। এত টাকা খরচ করে এসব করা পাগলামি মনে হলেও স্ত্রী হিসেবে মেনে নিয়েছি।’

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সুমন খুবই দরিদ্র মানুষ। ভ্যান চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালান। কিন্তু বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই ঋণ নিয়ে এলাকায় সাজসজ্জা করেন, খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করেন। এ কারণেই সবাই তাকে ‘মেসি সুমন’ নামে চেনে।

স্ত্রীর নামে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে আর্জেন্টিনার পতাকা-ব্যানারে রাঙালেন ভ্যানচালক

 

জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক ভর্তির প্রথম পর্যায় শেষ হচ্ছে আজ বুধবার (১০ জুন) শেষ হচ্ছে। গত ৭ হতে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জিএসটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভর্তি ও সশরীরে কাগজপত্র জমা দিয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলেছে কর্তৃপক্ষ।

 

জিএসটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, জিএসটি (সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের প্রথম পর্যায়ের প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া ৭ জুন হতে ১০ জুনের মধ্যে জিএসটি ওয়েবসাইটের (https://gstadmission.ac.bd/) মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে।

 

প্রাথমিক ভর্তি ফি (৫০০০ টাকা) প্রদান: ০৭ জুন দুপুর ১২টা হতে ১০ জুন রাত ১১টা ৫৯মিনিট পর্যন্ত।

 

মূল কাগজপত্র জমা: ৮ জুন হতে ১১ জুন প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার মূল নম্বরপত্রসমূহ (একটি এফোর সাইজ খামে ভরে খামের উপর আবেদনকারীর জিএসটি রোল নম্বর লিখে খামসহ) জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন একটিতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জমা দিতে হবে।

 

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

জিএসটি গুচ্ছের প্রথম পর্যায়ের প্রাথমিক ভর্তি শেষ হচ্ছে আজ

 

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ মামলার রায় দেবেন।

 

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানা তাম্মির সঙ্গে রাকিব হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বাদীর দাবি, ওই বৈবাহিক সম্পর্ক আইনগতভাবে শেষ হওয়ার আগেই ২০২১ সালে ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন তামিমা। ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন রাকিব হোসেন।

 

তবে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা। তাদের দাবি, আগের বৈবাহিক সম্পর্ক আইন অনুযায়ী শেষ হওয়ার পরই তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান ইসরাত হাসান বলেন, আমরা চাই, আসামিদের শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মামলার বিচার চলেছে। বিভিন্ন বিষয় চ্যালেঞ্জ করে তারা উচ্চ আদালতে রিভিশন করেছে। ১০ জন সাক্ষীর মাধ্যমে মামলার অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি।

 

তিনি আরও বলেন, সর্বোচ্চ শাস্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে আশা করছি। নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে দুই ধারায় ও তামিমার বিরুদ্ধে তিন ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসিরের সর্বোচ্চ সাত বছর ও তামিমার সর্বোচ্চ ২১ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

 

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, আমাদের আশা পজিটিভ। আসামিরা খালাস পাবেন আশা করছি। তারা কেন খালাস পাবেন যুক্তিতর্কে তুলে ধরেছি।

 

রায় শুনতে নাসির-তামিমা আদালতে আসবেন কি না জানতে চাইলে বলেন, আশা করি, আসবেন।

 

মামলার বাদী রাকিব বলেন, ইনশাআল্লাহ, ন্যায় বিচার হোক। এ ধরনের কাজ যেন আর না হয়। রায়ের মাধ্যমে একটা ম্যানেজ যাক সমাজে। আমার সাথে যেমনটা ঘটেছে, যেন আর কারও সঙ্গে এমনটা না হয়।

 

এ বিষয়ে নাসির হোসেনের বক্তব্য শুনতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, অভিযোগ প্রমাণে হতে পারে কোন সাজা?

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর দিন ধার্য রয়েছে আজ।

 

বুধবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করবে প্রসিকিউশন

 

এ মামলায় সব আসামিই পলাতক রয়েছেন। শামীম ওসমান ছাড়া অন্যরা হলেন—শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, অয়নের শ্যালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ ভিকি, নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সাবেক সভাপতি তানভীর আহমেদ টিটু, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন সাজনু, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ ও সোহানুর রহমান শুভ্র।

 

এর আগে, ১৩ মে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে ১২ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। একইসঙ্গে সূচনা বক্তব্যসহ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

তিনটি অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথম অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চাষাঢ়া, ফতুল্লা থানাধীন সাইনবোর্ডসহ আশপাশের এলাকায় কিশোর আদিল, ইয়াছিন, শিক্ষার্থী পারভেজ, পোশাককর্মী রাসেল, ছয় বছরের শিশু রিয়াসহ ছয়জনকে হত্যা করা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগ অনুযায়ী ২১ জুলাই ফতুল্লা থানাধীন ভূইগড় বাসস্ট্যান্ডের সামনে আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ রাকিবকে হত্যা করা হয়। এছাড়া তৃতীয় অভিযোগে ৫ আগস্ট বদিউজ্জামান ও আবুল হাসানকে হত্যার কথা উল্লেখ করে প্রসিকিউশন।

 

মানবতাবিরোধী অপরাধে শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

মানবতাবিরোধী অপরাধে শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী স্পিডবোট আটকে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চর ঝাউকান্দা ইউনিয়ন সীমান্তে পদ্মা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

 

এ ঘটনায় আট থেকে ১০ জনের একটি ডাকাতদল এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে নগদ টাকা, মুঠোফোন এবং স্পিডবোটের চার লক্ষাধিক টাকার ইঞ্জিনসহ যন্ত্রপাতি খুলে নিয়ে গেছে।

 

ডাকাতির শিকার ব্যবসায়ী চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নের মৌলভীরচর কারিকরডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা কোমর মোল্লার ছেলে লিটন মোল্লা (৩২)। তাকে স্থানীয় জেলেরা উদ্ধার করে ঢাকার দোহার উপজেলার একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। ডাকাতির সময় স্পিডবোট রেখে কাশবনে পালিয়ে রক্ষা পান স্পিডবোটের চালক সঞ্জিত খালাসী (৩৯)। তিনি চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নের খালাসীডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা অভি খালাসীর ছেলে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চরভদ্রাসনে আনে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে আটজন গরু ব্যবসায়ীকে চরভদ্রাসন উপজেলা সদরের গোপালপুর ঘাট থেকে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাটে নামিয়ে দেন স্পিডবোটচালক সঞ্জিত খালাসী। ওই আট ব্যবসায়ী গতকাল ফরিদপুর শহরের টেপাখোলা গরুর হাট থেকে ব্যবসা কার্যক্রম শেষ করে ঢাকায় বাড়িতে ফিরছিলেন। তাদের মৈনট ঘাটে নামিয়ে আবার গোপালপুর ঘাটে ফেরার পথে স্পিডবোটে একমাত্র যাত্রী ছিলেন লিটন মোল্লা। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্পিডবোটটি ঢাকা জেলা সীমান্ত থেকে চরভদ্রাসন সীমান্তে প্রবেশ করলে স্থানীয় ফারুক মোল্লার চরের পাশে একটি ডাবল ইঞ্জিনের স্পিডবোট নিয়ে সঞ্জিতের স্পিডবোটকে ধাওয়া করে।পরে পেছন থেকে এসে স্পিডবোটটির গতিরোধের চেষ্টা করে ডাকাতদল। পরে সঞ্জিত স্পিডবোটটি ফারুক মোল্লার চরে ভিড়িয়ে নিজে কাশবনে পালিয়ে যান। এ সময় বোটের একমাত্র যাত্রী লিটন মোল্লাকে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মুঠোফোন ও নগদ কয়েক হাজার টাকা নিয়ে যায়। পাশাপাশি স্পিডবোটের ইঞ্জিনসহ যন্ত্রাংশও খুলে নিয়ে যায়। ডাকাতদল চলে যাওয়ার সময় লিটনের বাম বাহুতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ফেলে যায়। পরে স্থানীয় জেলেরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

 

 

তিনি আরও বলেন, আমরা খোঁজ নিচ্ছি। সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পদ্মা নদীতে স্পিডবোট আটকে ডাকাতি

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে বড় অঙ্কের ঋণ দিচ্ছে জাপান। এ খাতে অর্থনৈতিক সহনশীলতা বাড়ানো এবং স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ঢাকাকে ঋণ হিসেবে ৩১ কোটি ২০ লাখ ডলার দিচ্ছে টোকিও।

 

মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাপানের সঙ্গে সহজ শর্তের এ ঋণ সংক্রান্ত দুটি নথিতে স্বাক্ষর করেছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। ঢাকায় জাপান দূতাবাস সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

 

দূতাবাস জানিয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতে জরুরি সহায়তার বিষয়ক ‘এক্সচেঞ্জ অব নোটস’- এ স্বাক্ষর করেন জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। ঋণচুক্তিতে সই করেন ঢাকায় জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাসি জুনকো। ইআরডি সচিব শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বাংলাদেশের পক্ষে দুই নথিতে স্বাক্ষর করেন।

 

দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই দুই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে ৫০ বিলিয়ন ইয়েনের অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স (ওডিএ) দেবে জাপান, যার আনুমানিক পরিমাণ ৩১২ মিলিয়ন ডলার।

 

জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদাকে উদ্ধৃত করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়ানো বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের অবিচল অংশীদারত্বের স্পষ্ট প্রতিফলন। দুদেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আওতায় এবং জাপানের অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মুখ্য অংশীদার।

জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে ৩১ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে জাপান

র‌্যাবের চৌকস অভিযানে জীপসহ প্রায় ১১ হাজার ইয়াবার চালান আটক

জামালপুর হামলা পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে জেলার সানন্দবাড়ী তে থমথমে অবস্থা বিরাজমান।

error: আপনি নিউজ চুরি করার চেষ্টা করছেন। বিশেষ প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৭৬৭৪৪৪৩৩৩
%d